Wednesday, November 18, 2015


অবশেষে ফেইসবুক হোয়াটসএপ সহ আরো কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার!


আজকে দুপুর আড়াইটার দিকে প্রতি দিন এর মত মোবাইলে নেট চালু করলাম, তারপর ফেসবুকে ডূকার চেস্টা করলাম কিন্তু ডুকতে পারছিলাম না :(তারপর whatsapp এ ডুকার ট্রাই করলাম! কিন্তু সেখানেও একই সমস্যা!অতঃপর আমি ভাবলাম আমার সিমে সমস্যা হবে,কারন আমার ইন্টারনেটের শেষ দিন ছিল তাই। তারপর আমি মোবাইলে  এমবি ডুকালাম,   তারপরও দেখি একই সমস্যা,সবশেষে আমি গ্রামীনফোন এর অফিসে ফোন করি তারা বলে এই সকল সাইট নাকি সরকার বন্ধ করে দিয়েছে!  তারপর আমি অন্য সাইটে ডুকার চেষ্টা করলাম এবং ডূকে গেল! তারপর প্রথম আলোতে গিয়ে ফেসবুক বন্ধ নামে একটা সংবাদ দেখলাম ! এবং সব কাহিনী জানতে পারলাম।




ফেসবুক-ভাইবার-হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের কয়েকটি মাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার দুটি আলাদা নির্দেশনায় এ সব মাধ্যম বন্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

তবে ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। যদিও বেলা দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল।
বিটিআরসির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে বিটিআরসি এ নির্দেশনা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।
বুধবার দুপুরে প্রথম নির্দেশনায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করার নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। পরে আরেকটি নির্দেশনায় লাইন, ট্যাংগো, হ্যাংআউটসহ আরও কয়েকটি মাধ্যম বন্ধের কথা জানানো হয়।
একাধিক মুঠোফোন অপারেটর, ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) বিটিআরসির এ নির্দেশনা পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা প্রথম আলোকে বলেন, দুপুরে বিটিআরসি থেকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে দুটি লিখিত আদেশ পাঠানো হয়।
কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, লিখিত নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধের কথা বলা হলেও মৌখিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আইআইজিগুলো বেলা দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত এক ঘন্টা ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখে। পরে বিটিআরসি থেকে ইন্টারনেট সেবা চালু করার কথা জানিয়ে দেওয়ার পর সেটা চালু করা হয়।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনার কথা অস্বীকার করেছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহজাহান মাহমুদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব মাধ্যম বন্ধ করতে গিয়ে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের ওপর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে তা হবে সাময়িক।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলার সময় ‘নিরাপত্তার’ কারণ দেখিয়ে ভাইবার, ট্যাংগো, হোয়াটসঅ্যাপ, মাইপিপল ও লাইন নামের পাঁচটি অ্যাপসের সেবা বন্ধ করে দেয় সরকার। তখন বলা হয়েছিল, বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য এসব অ্যাপস ব্যবহার করতেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার সীমিত বা বন্ধ করার বিষয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেদারল্যান্ডস থেকে ফিরে গত ৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরতে জটিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল করেছি। এর শুভ ফলও যেমন আছে, খারাপ ফলও আছে। আমরা থ্রি-জি ও ফোর-জিতে চলে গেছি। এ কারণে জঙ্গিরা ইন্টারনেট, ভাইবার থেকে শুরু করে নানা ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গি কার্যক্রম চালাচ্ছে। সে জন্য আমাদের চিন্তাভাবনা আছে, যদি খুব বেশি ব্যবহার করে হয়তো একটা সময়ের জন্য বা কিছুদিনের জন্য বন্ধ করে দেব। এই লিংকগুলো (জঙ্গি অর্থায়নের সূত্র) যাতে ধরা যায়।’
১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদেও একই ধরনের বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের কোনোভাবে সহ্য করা হবে না। কিছুদিনের জন্য হলেও এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের যাতে ধরা যায় সে পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ধরা হবে।

Tuesday, November 17, 2015



আরেক নক্ষত্র হারালো অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট

গত কয়েক মাস ধরেই যা ভাবছিলেন, তা অবশেষে চূড়ান্ত করলেন মিচেল জনসন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের সাথে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ টেস্ট শেষেই বল তুলে রাখবেন বাঁহাতি এই পেসার। তার বিদায়ের মাধ্যমে আরো এক নক্ষত্রের পতন ঘটছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে।

পার্থের ওয়াকায় নিউজিল্যান্ডের সাথে চলমান টেস্টের শেষেই নিজের অবসর কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছেন জনসন। অর্থাৎ মৌসুমের বাকি সময়টা তার আর খেলার কোনো সম্ভাবনাই নেই।


অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের চতুর্থ সেরা টেস্ট উইকেট শিকারী হিসেবে অবসরে যাচ্ছেন জনসন। ৭৩ টেস্টে ৩১১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। নতুনভাবে ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করা অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র ছিলেন জনসন। দুই বছর আগে ৫-০ ব্যাবধানে অ্যাশেজ জয়ের পিছনে তারও গুরত্বপূর্ণ অবদান ছিলো।
অজিদের হয়ে জনসনের চেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন কেবল ডেনিস লিলি (৩৫৫), গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩) এবং শেন ওয়ার্ন (৭০৮)। এই তালিকায় জনসনই একমাত্র ক্রিকেটার ব্যাট হাতে যার সেঞ্চুরিও আছে।
২০০৯ সালে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাব জিতেন জনসন। তবে ২০১০ সালে হঠাৎ করেই ফর্ম হারিয়ে বসেন তিনি। অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিরস্কারও সহ্য করতে হয় তাকে। ২০১১ সালে পায়ের মারাত্মক এক ইনজুরিতে ক্যারিয়ারই শেষ হতে বসেছিলো জনসনের।
নিজের বিদায়ের ঘোষণায় জনসন বলেন, ‘আমার মনে হয় এখনই বিদায় বলার শ্রেষ্ঠ সময়। দেশের হয়ে প্রতিটি মুহূর্ত খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় আমার দারুণ কেটেছে। কিন্তু একটা না একটা সময় ঠিকই সব ফুরিয়ে আসবে। ওয়াকার মতো বিশেষ জায়গায় ক্যারিয়ার শেষ করতে পেরে আমি খুশি।’
জনসনের ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০০৫ সালে। দুই বছর টেস্ট জার্সিও গায়ে উঠে তার। ৭৩ টেস্টে ৩১১ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ১৫৩ ওয়ানডেতে তার শিকার ২৩৯ উইকেট। ৬১ রানে আট উইকেট নেয়া তার টেস্ট সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। আর ওয়ানডে রেকর্ড ৩১ রানে ছয় উইকেট। জনসনের বিদায়ে অজি পেস আক্রমণ কিছুটা হলেও শক্তি হারালো।


.বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ। ওয়াশিংটন ভিত্তিক জনমত জরিপ সংস্থা গ্যালাপের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়। খবর বাসসের।
বাসসের খবরে বলা হয়, ২০১৪ সালে ১৪১টি দেশের এক লাখ ৪২ হাজার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। এগুলো হলো পুলিশের ওপর আস্থা, রাতবিরেতে চলাফেরার ঝুঁকি ও চুরি-ডাকাতির ঘটনা। এই তিন বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবের ভিত্তিতে গ্যালাপের বিশ্বব্যাপী ‘গ্লোবাল ল অ্যান্ড অর্ডার রিপোর্ট’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র শ্রীলঙ্কাই বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ হিসেবে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার ওপরে অবস্থান করছে। নিরাপদ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পরের অবস্থানের থাকা এ দেশ দুটির পয়েন্ট ৭৭। গত শুক্রবার সন্ত্রাসী হামলায় আক্রান্ত ফ্রান্স ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে নিরাপদ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নিচে অবস্থান করছে। ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে সিঙ্গাপুর। এরপর রয়েছে যথাক্রমে উজবেকিস্তান (৮৮ পয়েন্ট) ও হংকং (৮৭ পয়েন্ট)।
সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকির দেশ হচ্ছে লাইবেরিয়া ও ভেনেজুয়েলা। এই দুটি দেশের পয়েন্ট যথাক্রমে ৪০ ও ৪২। আঞ্চলিক পর্যায়ে ঝুঁকির মধ্যে থাকা লাতিন আমেরিকার ব্রাজিলের পয়েন্ট ৫২ ও মেক্সিকোর পয়েন্ট ৫৯।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পয়েন্ট ৬৭, পাকিস্তানের ৬০ এবং নেপাল ও ভুটানের ৭৩।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কেবল শ্রীলঙ্কা ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে এক পয়েন্টের ব্যবধানে বাংলাদেশের ওপরে অবস্থান করছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে ইন্দোনেশিয়া রয়েছে তালিকার শীর্ষে। এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ৬৪, থাইল্যান্ড ৭৪ ও ভিয়েতনাম ৭২ পয়েন্ট পেয়েছে।

শক্তিশালী কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে জয়ের ধারায় আছে বাংলাদেশ। গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে অসীম গোপের দল।

মালয়েশিয়ার ‍কুয়ানতানে মঙ্গলবার বাংলাদেশের দুই গোলদাতা সারোয়ার হোসেন ও মিলন হোসেন।

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারা বাংলাদেশ অধিনায়ক অসীম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ানোর। ওমানকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে সে প্রতিশ্রুতি রাখে তার দল। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেও দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

২৫তম মিনিটে সারোয়ারের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১-০ স্কোরলাইন ধরে রেখে প্রথমার্ধ শেষ করে মাহবুব হারুনের দল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও এক গোল দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলে বাংলাদেশ। ৪৬তম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন মিলন।

‘বি’ গ্রুপে এটি বাংলাদেশের ম্যাচে এটি দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় হার। ওমানকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর পর পাকিস্তানের কাছে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছিল তারা।

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে বাংলাদেশ। সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ‘এ’ গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলের সঙ্গে খেলবে তারা।

Monday, November 9, 2015



জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ দল।

সিরিজের আগে ঘোষিত প্রথম দুই ওয়ানডের চূড়ান্ত দল থেকে অবশ্য এর মধ্যেই পরিবর্তন এসেছে দুটি। পাঁজরের চোট নিয়ে সিরিজের আগেই ছিটকে যাওয়া সৌম্য সরকারের জায়গায় ফিরেছিলেন ইমরুল কায়েস। সোমবার দ্বিতীয় ওয়ানডে ৭৬ রান করে ম্যান অব দা ম্যাচও তিনি।
প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথমবার ৫ উইকেট পা্ওয়া সাকিব আল হাসান যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে। তার জায়গায় নেওয়া হয়েছে এনামুল হককে।
দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষের তিন ম্যাচের সিরিজ এরই মধ্যে নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে ১৪৫ রানে জয়ের পর সোমবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫৮ রানের জয় পায় মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।
আগামী বুধবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল।


নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার টানা পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ।

গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের এই অবিস্মরণীয় জয়যাত্রা। ৫ ম্যাচের সেই সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার পর গত এপ্রিলে পাকিস্তানকে স্বাগতিকরা হোয়াইটওয়াশ করে ৩ ম্যাচের সিরিজে। এরপর বাংলাদেশের সাফল্য রথে পিষ্ট হয়েছে পরে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাও।
জয়রথ থামেনি সেখানেই, ছুটতে ছুটতে এবার পৌঁছে গেল নতুন ঠিকানায়। যে দলকে হারিয়ে শুরু, সেই জিম্বাবুয়েকে হারিয়েই বাংলাদেশ গড়ল নতুন ইতিহাস। এই প্রথম পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মুর্তজার নতুন মেয়াদ শুরু হয়েছিল সাফল্য দিয়ে। এই পাঁচটি সিরিজ জয়েই নেতৃত্ব দিয়েছেন অনুপ্রেরণাদায়ী অধিনায়ক। দ্বিতীয় মেয়াদে এখনও ওয়ানডে সিরিজ হারেননি অধিনায়ক মাশরাফি।
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে খেলার স্বাদ পেয়েছিল ১৯৮৬ এশিয়া কাপে। পরের এক যুগ ওয়ানডেতে অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ ছিল বিভিন্ন টুর্নামেন্টেই। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ প্রথম খেলেছে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে; দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২ ম্যাচের সিরিজ। প্রথম সিরিজ জয় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এখন তো সিরিজ জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়মিত ব্যাপার।
এর আগে দুই দফায় টানা চারটি করে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। প্রথমবার ২০০৬-০৭ মৌসুমে। কেনিয়ায় জিতেছিল ৩-০ ব্যবধানে, এরপর দেশের মটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানের জয়। স্কটল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে হারানোর পর জিম্বাবুয়েতে গিয়ে জিতেছিল ৩-১ ব্যবধানে। ২০০৭ বিশ্বকাপের পর ভারতের কাছে হেরে ছেদ পড়ে সেই ধারায়।
টানা চার সিরিজ জয়ের স্বাদ আরেকবার মিলেছিল ২০০৯ সালে। দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়েকে বাংলাদেশ হারিয়েছিল ২-১ ব্যবধানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে খর্বশক্তির দলের বিপক্ষে জয় ৩-০ ব্যবধানে। এরপর জিম্বাবুয়েতে গিয়ে ও দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুই সিরিজ জয়ই ৪-১ ব্যবধানে। সেবার জয়ের ধারা থেমেছিল নিউ জিল্যান্ডে গিয়ে ৩ ম্যাচেই হেরে।
দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ টানা জয়ের বিশ্বরেকর্ড ছুঁতে হলে অবশ্য বাংলাদেশকে পাড়ি দিতে হবে আরও ঠিক এই সমান পথ। টানা ১০টি সিরিজ জয়ের রেকর্ড আছে অস্ট্রেলিয়ার, ২০০২-০৩ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত। আরেক দফায় অস্ট্রেলিয়ার জিতেছে টানা ৯ সিরিজ, ২০০৮ থেকে ২০০৯। বিভিন্ন দলের টানা ৬ সিরিজ জয়ের ঘটনা আছে ৯টি।
টানা সিরিজ জয়ের সংখ্যাতে নিজেদের রেকর্ড তো বাংলাদেশ গড়লই। আগে সিরিজ জেতা দলগুলির সঙ্গে এবারের দলগুলির তুলনাই বলে দেবে এবার জয় কতটা এগিয়ে, কতটা আলাদা!
এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলি জয়ের মাঝে আছে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার সাফল্য। শুধু ওয়ানডেই নয়, গত জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে এই পর্যন্ত টেস্টেও বাংলাদেশ রেখেছে উন্নতির ছাপ। এই সময়ে ৮ টেস্টের ৩টিতে জিতেছে বাংলাদেশ, ড্র ৪টি। হার মাত্র একটি! সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট কাটাচ্ছে ইতিহাসের সেরা সময়।

Sunday, November 8, 2015


রাতেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাচ্ছেন সাকিব

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে বাকি দুই ম্যাচে আর খেলা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানের। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারকে পারিবারিক প্রয়োজনে রবিবার রাতেই উড়ে যেতে হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে আছেন তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির। প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন এই জুটি।

শনিবার প্রথম ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পেয়েছেন ৫ উইকেট। ওই ম্যাচেও হয়তো খেলা হতো না সাকিবের। তিনি তো যুক্তরাষ্ট্রেই ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে। কিন্তু স্ত্রী শিশিরও একরকম জোর করে দেশের পক্ষে খেলতে পাঠান সাকিবকে। আর সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেই দারুণ সাফল্য সাকিবের।
 
সাকিব বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। শিকার সংখ্যা ২০৬। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী আব্দুর রাজ্জাক। তার শিকার ২০৭ উইকেট। সিরিজটা খেললে আর দুই উইকেট পেলে সাকিব হয়ে যেতে পারতেন বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। কিন্তু তার অপেক্ষা বাড়ল।

আপাতত দেশের দায়িত্ব নয়, পরিবারের দায়িত্বই পালন করা বেশি জরুরি সাকিবের জন্য। পৃথিবীতে আসার অপেক্ষায় আছে তার কন্যাসন্তান।

Categories

Powered by Blogger.

Sample text

Social Icons

Featured Posts

Total Pageviews

Search This Blog

Translate

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Followers